সনাতনী যুবশক্তিকে ধর্মীয় শিক্ষা, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্বে গড়ে তুলতে কাজ করছে বিশ্ব হিন্দু মহাসভা বাংলাদেশ
প্রান্ত রায়
ক্রাইম রিপোর্টার
প্রকাশিত:
০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১৯
66 জন পড়েছেন
বিশ্ব হিন্দু মহাসভা বাংলাদেশ-এর জাতীয় কমিটির উদ্যোগে সনাতনী ছাত্র ও যুবসমাজকে ধর্মীয় শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু ধর্মীয় চেতনা নয়, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বাস্তবমুখী নেতৃত্বই আগামী দিনের সনাতনী সমাজকে আরও শক্তিশালী করবে।
জাতীয় কমিটির সভাপতি শ্রী বরুণ চন্দ্র সরকার বলেন,
"শুধু নেতা তৈরি নয়, আমরা আগামী প্রজন্মের যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই। ধর্মীয় শিক্ষা যেমন একজন মানুষকে আদর্শবান করে, তেমনি তথ্যপ্রযুক্তি তাকে বিশ্বদরবারে প্রতিযোগিতার যোগ্য করে তোলে। তাই আমাদের লক্ষ্য—সনাতনী ছাত্র ও যুবকদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ ধারণ করে প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বের সনাতনী সমাজের কল্যাণে নেতৃত্ব দিতে পারে।"
তিনি আরও বলেন,
"আমি বিশেষভাবে দেশ প্রধান শ্রী মৃদুল মন্ডলের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্যের প্রশংসা করি। তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনা, নিরলস প্রচেষ্টা এবং কার্যকর দিকনির্দেশনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সনাতনী সংগঠন ও নেতৃত্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও সমন্বয় তৈরি হয়েছে। তরুণদের প্রতি আস্থা রেখেই আমরা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই, কারণ আমার বিশ্বাস—'তরুণ সামনে, প্রবীণ পাশে'—এই দর্শনই আগামী দিনের শক্তিশালী সংগঠনের ভিত্তি।"
অন্যদিকে, জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ প্রদ্যোৎ কুমার ঘোষ বলেন,
"বর্তমান যুগে যে সমাজ প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকবে, সে সমাজ নেতৃত্বেও পিছিয়ে পড়বে। তাই ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ, নৈতিকভাবে দৃঢ় এবং আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত একটি সনাতনী যুবসমাজ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"
তিনি আরও বলেন,
"দেশ প্রধান শ্রী মৃদুল মন্ডলের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, তা আমাদের সংগঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তাঁর নিরলস পরিশ্রম, সুসংগঠিত পরিকল্পনা এবং বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে সনাতনী সমাজের জন্য আরও বিস্তৃত সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমাদের প্রত্যাশা, প্রতিটি তরুণ নিজেকে শুধু একজন সদস্য নয়, বরং সনাতন সমাজের একজন দক্ষ, দায়িত্বশীল ও বিশ্বমানের প্রতিনিধি হিসেবে গড়ে তুলবে।"
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ, সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও সনাতনী ছাত্র ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বৈশ্বিক সংযোগ সম্প্রসারণে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।