Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার সনাতনী যুবক শৈবাল সাহা পার্থর বঞ্চনার গল্প এটি। ঘটনাটি প্রমাণ করে বাংলাদেশে যুগে যুগে সনাতনীরা কেবল রাজনৈতিক ব্যবহারের শিকার হয়েছেন এবং তাদের ওপর হওয়া অপরাধের বিচার আজও অধরা।
২১ আগস্টের আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলাকে কেন্দ্র করে নির্দোষ সনাতনী যুবক শৈবাল সাহা পার্থর ওপর চালানো মধ্যযুগীয় নির্যাতন ও মিথ্যা নাটকের ঘটনা আজও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর চলা প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের এক রক্তাক্ত দলিল হয়ে আছে। ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের 'হার্ডনেট সাইবার ক্যাফে' থেকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানোর অভিযোগে ২০০৪ সালের ২৫ আগস্ট বোনের বাসা থেকে ডেকে এনে আটক করা হয় পার্থকে। তাকে এই বর্বরোচিত হামলার দায় স্বীকার করাতে চালানো হয় অমানুষিক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। পার্থ ভারতে পড়াশোনা করার কারণে তৎকালীন প্রশাসন তাকে অনায়াসেই "ভারতের চর" হিসেবে চিহ্নিত করার এক ঘৃণ্য চক্রান্তে মেতে ওঠে। সন্তানের জীবন রক্ষা ও মুক্তির আকুতিতে এক মা মন্দিরে নিজের রক্ত দিয়ে পূজাও দিয়েছিলেন, যা সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রতি তৎকালীন রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্দয় আচরণের চূড়ান্ত রূপ ফুটিয়ে তোলে।