Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
২০০৪ সালে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ১ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ ৯ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। দীর্ঘ ২২ বছর পর ঘোষিত এই রায়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অবসান ঘটিয়ে দেশে প্রকৃত আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খালাসপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও প্রবীণ রাজনীতিক, তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ওপর চালানো বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষিত হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছরের আইনি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই বহু প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দেশের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সরকারি দলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৯ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার মূল অপরাধী হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ ওরফে নিমুকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সনাতনীদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই রায়কে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।