Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজের পর সনাতনী শিশু কন্যা নন্দিনী রানী বর্মণের বস্তাবন্দী ও মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও রণক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। মিরপুরের রামিসা হত্যা মামলার মতো এই সংখ্যালঘু শিশু ধর্ষণের ও হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও প্রশাসন দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আইনের সমপ্রয়োগ নিশ্চিত করবে কিনা, তা নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় সাত বছরের এক নিষ্পাপ সনাতনী শিশু কন্যাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দী অবস্থায় মাটিচাপা দেওয়ার এক লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের এক ভুট্টাখেত থেকে মঙ্গলবার সকালে নন্দিনী রানী বর্মণ নামের ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নন্দিনী স্থানীয় একটি ব্র্যাক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং ওই গ্রামের সাধারণ কৃষক নলনী বর্মণের কন্যা। গতকাল সোমবার বিকেল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জাবেদ আলীর ভুট্টাখেতে কিছু গাছ ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান এবং সেখানে একটি সদ্য খোঁড়া গর্তের ভেতর বস্তাবন্দী লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।