Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুই যুবক। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচন করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার নৃশংস রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। নিহত গণপতি চক্রবর্তীর ছাদ ও সংলগ্ন এলাকায় বসে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই ছিল এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ। গত ২২ আগস্ট শনিবার রাতে নিজ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, স্নাতকোত্তর পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিশুসন্তান আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অনুসন্ধানে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে পাশের বাড়ির ছাদ টপকে ঢুকে পড়ে স্থানীয় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই যুবক। ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করার সময় গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানালে, তা গোপন রাখতে নির্দয়ভাবে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')