পাবনায় হরিজন সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ কিশোর রুদ্র হাড়ী, রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন
নিজস্ব প্রতিবেদক
হিন্দুস নিউজ
প্রকাশিত:
২০ জুন ২০২৬, ১২:৩৯
34 জন পড়েছেন
পাবনা সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীতে হরিজন সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ কিশোর রুদ্র হাড়ী বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরিবারের দাবি, সংঘর্ষ চলাকালে ছাদে অবস্থান করার সময় গুলিবিদ্ধ হয় সে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন শুক্রবার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীতে হরিজন সম্প্রদায়ের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। একপর্যায়ে গোলাগুলির সময় নিজের বাড়ির ছাদে থাকা রুদ্র হাড়ী গুলিবিদ্ধ হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে একই দিন তাকে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
রুদ্র হাড়ী দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীর বাসিন্দা শ্রী মিন্টু হাড়ী ও শ্রীমতী মুক্তা রানীর ছেলে। তার বয়স ১৩ বছর বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা রুদ্রের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তাকে এখনও চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও গোলাগুলির উৎস সম্পর্কে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।