ভারতের কলকাতার টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অমিতের শরীরে এই ঘাতক ব্যাধি নতুন করে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাকে সুস্থ করে তুলতে 'ইমিউনোথেরাপি' ও 'রেডিওথেরাপি'র বিকল্প নেই। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ১৯টি ইমিউনোথেরাপি ইনজেকশন দিতে হবে, যেখানে প্রতি ২১ দিনে ইনজেকশন ও রেডিওথেরাপি বাবদ খরচ পড়বে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। এই ধাপের চিকিৎসা সম্পন্ন করতে আরও প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।
অমিতের চিকিৎসায় গত তিন বছরে তার পরিবার ইতোমধ্যে প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এখন প্রায় নিঃস্ব। মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের পক্ষে এত বড় অঙ্কের টাকা জোগাড় করা ছিল পাহাড়সম কষ্টসাধ্য, তবুও একমাত্র সন্তানের প্রাণ বাঁচাতে সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন তার স্বজনরা। এখন টাকার অভাবে তার পরবর্তী চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্ররা এবং অমিতের সহপাঠীরা তাদের প্রিয় বন্ধুর জীবন বাঁচাতে সমাজের সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষদের প্রতি আর্থিক সহায়তার আকুল আহ্বান জানিয়েছেন। তারা জানান, অমিত আমাদের প্রতিবেশী হিন্দু পাড়ার অত্যন্ত নম্র ও অমায়িক এক কিশোর। আজ তার এই কঠিন সময়ে আমরা যদি যার যার জায়গা থেকে সামান্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই, তবে হয়তো একটি প্রাণ বেঁচে যাবে। বিশ, পঞ্চাশ বা একশ টাকা—যার যতটুকু সাধ্য, তা দিয়েই এই স্বজাতি ভাইয়ের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি।
আপনার সামান্য দান এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে অমিতের প্রাণ। চলুন, অসহায় এই পরিবারটির আর্তনাদে সাড়া দিয়ে আমরা মানবিকতার পরিচয় দেই।
আর্থিক সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম:
বিকাশ: ০১৬৩৫-৭৮৯৫৭৩ (তারেক, ১৯ ব্যাচ)
ডাচ বাংলা ব্যাংক: ৭০১৭৩২৩৩০৯৫০৬ (তারেক, ১৯ ব্যাচ)
বিকাশ/নগদ: ০১৮৩২৩২০৫০৮ (সাজ্জাত, ১৯ ব্যাচ)