রাঙ্গুনিয়ায় শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে
সৌরভ সাহা
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
২৯ মে ২০২৬, ০১:৩১
97 জন পড়েছেন
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর সাবেক রাঙ্গুনিয়া এলাকার শ্রী শ্রী রাসবিহারী ধাম সংলগ্ন রাধাকৃষ্ণ বিশ্বাসের বাড়িতে আগামী ২৭ ও ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (১১ ও ১২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক শ্রীশ্রী লোকনাথ দীনভক্তবৃন্দ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে ভক্তিময় পরিবেশে ধর্মীয় নানা আয়োজন থাকবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—গীতা পাঠ, চণ্ডীপাঠ, ভাগবত পাঠ, পূজা-অর্চনা, অধিবাস, ঘট স্থাপন, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, আরতি, কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিন বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে টেলিভিশন ও বেতার শিল্পী শ্রী রাজীব সাহা, লিটন নন্দী ও অন্যান্য শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি থাকবে।
সন্ধ্যা ৭টায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন যোগাচার্য শ্রীমৎ ওঁকারনাথ ব্রহ্মচারী, অধ্যক্ষ নব বারদী কৈলাস ধাম, রাউজান, চট্টগ্রাম।
বিশেষ আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শ্রীমৎ দয়ানাথ ব্রহ্মচারী, উপাধ্যক্ষ নব বারদী কৈলাস ধাম।
এরপর সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর অধিবাস, ঘট স্থাপন, সন্ধ্যা আরতি ও শীতল ভোগ নিবেদন অনুষ্ঠিত হবে। রাত ৯টায় ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ধর্মীয় আলোচনায় ভক্তরা অংশ নেবেন।
১২ জুন সকালে চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে। সকাল ১০টায় শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার পূজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুরে রাজভোগ আরতি, অনুপ্রসাদ আস্বাদন ও সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ও সন্ধ্যায় কীর্তন পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে, যা পরিবেশন করবেন শ্রী রাখাশ সরকার ও তাঁর দল (উত্তর গুজরা, রাউজান)।
রাত ৯টা ৩০ মিনিটে অনুপ্রসাদ আস্বাদন এবং রাত ১০টায় পাল্টা কীর্তনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে, যেখানে শ্রী বিকাশ দত্ত ও নিরঞ্জন সরকার পরিবেশনায় অংশ নেবেন।
আয়োজকরা জানান, দুই দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসব ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হবে। ভক্ত-অনুরাগীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।