Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
সনাতন ধর্মের পবিত্র ১৬টি সংস্কারের অন্যতম হলো ‘উপনয়ন’। জানুন কেন যজ্ঞোপবীত ধারণ প্রতিটি সনাতনীর জন্য অপরিহার্য এবং কেন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই অধিকার ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যাপিত জীবনে বৈদিক সংস্কার কেবল কতগুলো আচার-অনুষ্ঠানের সমষ্টি নয়, বরং এটি মনুষ্য জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণকর করে গড়ে তোলার এক ঐশ্বরিক পদ্ধতি। পবিত্র বেদে বর্ণিত ঋষিদের নির্দেশিত ষোড়শবিধ সংস্কারের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো উপনয়ন। এই উপনয়ন সংস্কারের মাধ্যমেই একজন মানুষ যজ্ঞোপবীত বা পৈতা ধারণ করেন, যা মূলত আত্মিক শুদ্ধি এবং প্রতিজ্ঞার প্রতীক। শাস্ত্রে যজ্ঞোপবীতকে প্রতিজ্ঞাসূত্র বা ব্রতসূত্র হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সাধারণত আট থেকে বারো বছর বয়সের মধ্যে এই উপনয়ন গ্রহণের বিধান থাকলেও বর্তমান সমাজে এর মূল তাৎপর্য এবং অধিকার নিয়ে নানাবিধ বিভ্রান্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে, বর্তমানে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার সংকীর্ণতায় নারীরা এই পবিত্র অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সরাসরি বেদের শিক্ষার পরিপন্থী।