Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
সমাজে নারীর পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলা পশ্চাদপদ মানসিকতার লক্ষণ; সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের শাস্তি কেবলই মৃত্যুদণ্ড ও কঠোরতম অঙ্গচ্ছেদ। নারীর প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে "HINDUS NEWS"-এর বিশেষ প্রতিবেদনটি পড়ুন ও শেয়ার করুন।
বর্তমান সময়ে ধর্ষণ সমাজে এক ভয়াবহ মানসিক ও সামাজিক ব্যাধি হিসেবে রূপ নিয়েছে। এই ব্যাধিটি যতটা না দৈহিক, তার চেয়ে শতভাগ মানসিক প্রবৃত্তি থেকে সৃষ্ট। আধুনিক সমাজে প্রতিনিয়ত নারীর মানবাধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে এবং এর পেছনে কাজ করছে এক শ্রেণির মানুষের বিকৃত মানসিকতা। সনাতন ধর্মে এবং বৈদিক শাস্ত্রে নারীর অধিকার, সম্মান ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে এবং একই সাথে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। বৈদিক কল্পসূত্রের অন্তর্গত কৃষ্ণ যজুর্বেদীয় আপস্তম্ব ধর্মসূত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, যদি কেউ কোনো নারীর সাথে জোরপূর্বক বা অবৈধ মৈথুনে লিপ্ত হয়, তবে অপরাধীর অণ্ডকোষসহ পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলতে হবে। অর্থাৎ, বৈদিক যুগ থেকেই নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় এমন কঠোরতম শারীরিক দণ্ডের বিধান রয়েছে, যা অপরাধীর মনে স্থায়ী ভীতির সঞ্চার করে।