Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
মহারাষ্ট্রে ২৮ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে চলা 'ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন, ২০২৬' অনুযায়ী জোরপূর্বক ধর্মান্তর একটি কঠোর ও জামিনঅযোগ্য অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের জেল। এই আইন সনাতন অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং ভিন্ন ধর্মে বিয়ের ক্ষেত্রে সন্তানের মায়ের ধর্মীয় পরিচয় বজায় রাখার ব্যবস্থা করবে।
আগামী ২৮ আগস্ট ২০২৬ থেকে ভারতের মহারাষ্ট্রে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন, ২০২৬' আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে। রাজ্যের সব ধর্মের মানুষের ওপর প্রযোজ্য এই আইনটি সম্প্রতি মহারাষ্ট্র বিধানসভার উভয় কক্ষে পাস হয়েছে এবং সরকার প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই নতুন আইনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জোরপূর্বক, প্রতারণা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন বা অনুচিত প্রভাবের মাধ্যমে ধর্ম পরিবর্তন রোধ করা। আইনের বিধান অনুযায়ী, এসব উপায়ে ধর্মান্তরকরণ একটি জামিনঅযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, এই কঠোর আইনি ব্যবস্থা শুধুমাত্র জোরপূর্বক ধর্মান্তর রোধে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য আনা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের বিরুদ্ধে নয়।