Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
রংপুরে ইয়াবা সেবনের প্রতিবাদ করায় অবসরপ্রাপ্ত সনাতনী শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পুরো পরিবারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই তরুণ। এ ঘটনার নির্মমতায় অভিযুক্ত নিজ ছেলেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন অপরাধীর পিতা।
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত সনাতনী শিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই অবুঝ সন্তানকে অত্যন্ত নৃশংস ও নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত দুই প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই চার খুনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া অন্যতম মূল অভিযুক্ত হলেন ১৯ বছর বয়সী সিদ্ধার্থ দাস। অপরাধের সাথে নিজের গর্ভজাত সন্তান জড়িত থাকার সন্দেহ দেখা দেওয়ামাত্রই কোনোপ্রকার পক্ষপাত না করে অত্যন্ত সাহসিকতা ও নৈতিকতার পরিচয় দিয়ে ছেলেকে নিজ উদ্যোগে পুলিশের হাতে তুলে দেন পিতা বিনয় দাস। গ্রেপ্তারকৃত অপর অভিযুক্ত হলেন নগরীর সিটি বাজারের মাছ বিক্রেতা মুগ্ধ দাস (২৩)। সম্পর্কে তারা দুজন মামাতো ভাই এবং সিদ্ধার্থ পেশায় একজন স্বর্ণের দোকানের কারিগর। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার ধর্মপ্রাণ স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), তাদের উদীয়মান কন্যা আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া নিষ্পাপ পুত্র আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)।