Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় দশম শ্রেণীর এক সনাতনী ছাত্রীকে মারাত্মক জখমসহ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে খুলনা গাজী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকা এই কিশোরীর ওপর চালানো নৃশংসতা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজির হাট সৈয়দ নৈয়মদ্দীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক চরম নৃশংস ও লোমহর্ষক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণীর এক সংখ্যালঘু সনাতনী নারী শিক্ষার্থীকে প্রতিষ্ঠানের টয়লেট থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার কিশোরীটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত ও নির্যাতনের সুস্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। রক্তাক্ত ও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর দ্রুত খুলনা শহরের গাজী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার পাশে পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে অবস্থান করছেন। যেকোনো নাগরিকের মৌলিক নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় যখন দায়িত্বশীলদের সচেষ্ট হওয়ার কথা, তখন এক কোমলমতি শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ের আঙিনায় এমন নির্মমতার শিকার হওয়া গোটা সমাজব্যবস্থা ও মানবাধিকারের দৈন্যদশাকেই ফুটিয়ে তোলে।