চন্দ্রনাথ ধাম পরিদর্শন করলেন নবনিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার
হৃদয় চন্দ্র শীল
সুবর্ণচর প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৩
58 জন পড়েছেন
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত ঐতিহাসিক চন্দ্রনাথ ধাম পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামে নবনিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমার।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে পূর্বঘোষিত কোনো প্রকাশ্য সফরসূচি ছাড়াই তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলা স্রাইন কমিটি পরিচালিত চন্দ্রনাথ ধাম পরিদর্শনে যান। এ সময় স্রাইন কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানো হয় এবং ধামের ইতিহাস, ধর্মীয় গুরুত্ব ও তীর্থস্থানটির বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
পরিদর্শনকালে তিনি শ্রী শ্রী ক্রমদীশ্বর স্বয়ম্ভুনাথ মন্দির, মা ভবানী মন্দির, শ্রী শ্রী ভৈরব মন্দির এবং ব্যাসকুণ্ড ঘুরে দেখেন। স্রাইন কমিটির প্রতিনিধিরা তাঁকে এসব স্থাপনার ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেন। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মা ভবানী মন্দিরটি ৫১ সতীপীঠের একটি, যেখানে দেবী সতীর দক্ষিণ হস্তার্ধ পতিত হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়।
চন্দ্রনাথ ধাম বাংলাদেশের একটি প্রাচীন তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা এখানে আসেন। শিব চতুর্দশীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে।
সফরকালে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির সহ-সম্পাদক শ্রী সুব্রত চক্রবর্তী সৌমিত্র এবং সিনিয়র সদস্য শ্রী মৃদুল অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ধামের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শনে সহায়তা করেন এবং স্রাইন কমিটির কার্যক্রম, তীর্থযাত্রীদের জন্য গৃহীত উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরেন।
স্রাইন কমিটির নেতারা বলেন, চন্দ্রনাথ ধাম ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন একটি তীর্থস্থান। তাঁদের মতে, এ ধরনের সফরের মাধ্যমে তীর্থস্থানটি সম্পর্কে দেশ-বিদেশে আগ্রহ বাড়তে পারে এবং ধর্মীয় পর্যটনের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্রাইন কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত চন্দ্রনাথ ধাম সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে এটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও তীর্থযাত্রার একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।