পূজা-২০২৬
- ট্রেন্ডিং :
- সনাতনী
- দূর্গাপূজা
- সরকার
- প্রতিমা
- #দূর্গাপূজা
- মন্দির
- বাংলাদেশ
- পুলিশ
- ভারত
- হিন্দু
সিঁদুর খেলতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তন্নি দে
বিয়ের মাত্র চার মাস, নতুন সংসারের স্বপ্ন ও বাবার বাড়িতে প্রথম দুর্গোৎসবের আনন্দ এক নিমেষেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। বিজয়া দশমীতে দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে আকস্মিক অসুস্থ হয়ে তন্নি দে (২০) নামের এক নববধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। তার এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের একমাত্র মেয়ে। প্রায় চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটিই ছিল তার জীবনের প্রথম দুর্গোৎসব।স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে যান তন্নি। সেখানে অন্যান্য নারীদের সঙ্গে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেয়ার আনন্দঘন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তিনি। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই তিনি হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। পরে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এই আকস্মিক ঘটনায় বিসর্জনস্থলের পুরো উৎসবমুখর পরিবেশ মুহূর্তেই শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়। যে উৎসবে সিঁদুরের রঙে রঙিন হওয়ার কথা ছিল বিজয়ার শেষ বিকেল, সেখানে নেমে আসে মাতম ও কান্নার আবহ। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বাবা মহাদেব দেসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বিসর্জনস্থলে এক নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায় তাদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"সাকার উপাসনা থেকে নিরাকার সাধনা" / শত প্রতিকূলতা জয় করে দেবীর রূপদানে হবিগঞ্জের বীর সনাতনী নারীরা
হাওরবেষ্টিত হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালপাড়া গ্রামে যুগ যুগ ধরে প্রস্ফুটিত হয়ে আসছে সনাতনী শিল্পকলা ও ভক্তির এক অনন্য নিদর্শন। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে এই গ্রামের প্রতি ঘরে ঘরে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মৃৎশিল্পের যে বিপ্লব ঘটে চলেছে, তার মূলে রয়েছেন সনাতনী নারী কারিগররা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দুর্গোৎসব কেবল একটি উৎসব নয়, এটি মনের আত্মিক নিবেদন ও সাকার উপাসনার এক পবিত্র মাধ্যম। মূর্তিপূজা ও সাকার উপাসনার মূল দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অভ্র অর্পন নামের এক সনাতনী বলেন, "সনাতনীরা মূর্তিপূজা করি আমাদের মনকে একাগ্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। মন তো অনেক কিছুই চায়, চিন্তা শুধু ছুটাছুটি করে এদিক-সেদিক। সাকার উপাসনার অর্থই হলো, কিছু একটাকে অবলম্বন করে নিজের চিন্তার ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ আনা। সাকার উপাসনার পরবর্তী ধাপ হলো নিরাকার উপাসনা, সেটা সাধুরা এখনও করেন বনে-জঙ্গলে, হিমালয়ে। মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি, মা যেন আমাদের চিন্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শেখান, আমাদের ধৈর্য যেন আরও বাড়িয়ে দেন। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও যেন হাসিমুখে সবাইকে ভালোবেসে একসাথে মানবকল্যাণে অনেক ভূমিকা রাখতে পারি।" অভ্র অর্পণের এই প্রার্থনার প্রতিধ্বনি ফুটে ওঠে পালপাড়ার নারীদের হাতের স্পর্শে, যারা পরম ভক্তিতে মাটির প্রতিমায় রূপ দেন দেবীকে। সাধারণত প্রতিমা তৈরির কাজে পুরুষদের প্রাধান্য দেখা গেলেও পালপাড়ায় দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। পুরুষরা কেবল বাঁশ ও খড়ের প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করার পর মূল কাজ অর্থাৎ মাটি মাখা, নিখুঁত অবয়ব প্রদান, রং তুলির আঁচড় ও দেবীর রূপসজ্জার যাবতীয় গুরুদায়িত্ব পরম মমতায় সামলান নারী কারিগররা। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এই শিল্পের সাথে যুক্ত নিয়তি রানী পালের মতো অসংখ্য নারী মৃৎশিল্পী এখানে দিনরাত পরিশ্রম করছেন। কেবল নিয়তি রানীই নন, মীরা, নেপাল, প্রতিমা পাল, প্রমিলা পাল, কাজল পাল এবং সীতা পালের মতো বহু নারী কারিগর তাঁদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মা দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহনের জন্য গড়ে তুলছেন। এমনকি পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলা যেমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, বাহুবল, মাধবপুর এবং সুনামগঞ্জ থেকেও দেবী প্রতিমার আগমনী বার্তা নিয়ে বায়মা আসছে এই গ্রামে। তবে সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এই মূল ভিত্তি ধারণকারী কারিগররা আজও অবহেলিত ও প্রান্তিক পর্যায়ে দিন কাটাচ্ছেন। প্রমিলা পালের মতো বয়োজ্যেষ্ঠ শিল্পীরা ক্ষোভ ও আক্ষেপের সাথে জানান, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই শিল্প চর্চা করে আসলেও কোনো প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক, সরকারি বা আর্থিক সহায়তা তাঁরা পাননি। জরাজীর্ণ ও অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে একদিকে যেমন প্রতিমা তৈরির কাঁচামাল আনতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়, অন্যদিকে তৈরি করা প্রতিমা যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতনীদের এই মৌলিক অধিকার ও কারিগরদের জীবনমান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা তাদের শিল্পকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রানেশ ভট্টাচার্য জানান, পালপাড়ার প্রতিমা শিল্পীদের হাতের কাজ ও সুলভ মূল্যের কারণে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করে বলা হয়েছে, মৃৎশিল্পীদের সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। সকল প্রতিকূলতা ও অবহেলার মাঝেও সনাতনী নারী কারিগররা মা দুর্গার চরণে নিজেদের নিবেদন করে ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যেন শত সংকটের মধ্যেও মানবকল্যাণে অটল থাকা যায়।
‘পূজা এলেই কেন নিরাপত্তার দুশ্চিন্তা? / সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের ডাক এনসিপির
শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বাংলাদেশে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় এই সুদৃঢ় অবস্থান ঘোষণা করা হয়। সভায় দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, দেশের মাটিতে ধর্মীয় বা সম্প্রদায়গত পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যদি বৈষম্য কিংবা নির্যাতনের শিকার হন, তবে তার বিরুদ্ধে সংসদে জোরালো বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি রাজপথেও এনসিপি কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তুলবে।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালনের আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতৃত্ব বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষের স্বাধীনভাবে নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ সাংবিধানিক ও মানবাধিকার রয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে পূজা এলেই কেন সনাতনী সম্প্রদায়কে নিজ দেশের মাটিতে নিরাপত্তা ও আশঙ্কার দুশ্চিন্তায় ভুগতে হবে—এমন মৌলিক প্রশ্ন তুলে ধরা হয়। পূজা মণ্ডপগুলোতে প্রতি বছর আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির প্রয়োজনীয়তা যেন চিরতরে দূর হয় এবং সবাই স্বাভাবিক ও স্বাধীনভাবে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ পায়, সেটাই বর্তমান সময়ের বড় প্রত্যাশা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সার্বজনীন মানবিক মূল্যবোধ ও অখণ্ড জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে দুর্গাপূজায় দেশের প্রতিটি প্রান্তে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকতে এবং সার্বিক সহযোগিতা ও স্বেচ্ছাসেবামূলক ভূমিকা পালন করতে ইতোমধ্যেই সারা দেশে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।মতবিনিময় সভায় অশুভ শক্তির চক্রান্ত ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিহত করার তাগিদ দিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মূল চেতনা নিহিত রয়েছে সব জাতি ও ধর্মের সুদৃঢ় সম্প্রীতির মধ্যে। কোনো ধরনের চক্রান্তের মুখে এই সুদীর্ঘ ঐতিহাসিক মেলবন্ধন বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। সন্ধ্যায় এনসিপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও বাংলাদেশ পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা সহ বিভিন্ন সনাতনী ও সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমিরাতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের একই পরিবারের মা-ছেলে নিহত, হাসপাতালে বাবা
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার একই পরিবারের মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পরিবারের কর্তা সৌরভ বিশ্বাস। একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই আনন্দের যাত্রা পরিণত হয়েছে শোকের ঘটনায়।নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব কধুরখীল গ্রামের প্রবাসী সৌরভ বিশ্বাসের স্ত্রী অসীমা চৌধুরী (৪৮) এবং তাঁদের একমাত্র ছেলে অরিত্র বিশ্বাস (১৫)।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর নিজের চালানো টয়োটা ইয়ারিস গাড়িতে সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী অসীমা চৌধুরী ও একমাত্র কিশোর ছেলে অরিত্র বিশ্বাস।পথিমধ্যে আবুধাবি-আল আইন সড়কের আল ওয়াথবা এক্সিট-৪৭ এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি নিশান সাফারি ফোর-হুইল গাড়ি তাঁদের বহনকারী গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা দেয় বলে জানা গেছে। এতে টয়োটা ইয়ারিস গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরিবারের তিন সদস্যই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আবুধাবি পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় মাফরাক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা অসীমা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে অরিত্র বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় আহত সৌরভ বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।একই দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন প্রবাসী সৌরভ বিশ্বাস। যে পরিবারের সদস্যরা কিছুক্ষণ আগেও একসঙ্গে আনন্দঘন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন, সেই পরিবারের দুই সদস্যের জীবন থেমে গেল সড়কেই।এদিকে মা ও ছেলের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর পূর্ব কধুরখীল গ্রামসহ স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসের মাটিতে একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তাঁদের আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৌরভ বিশ্বাসের সুস্থতা কামনা করেছেন স্বজনরা। একই সঙ্গে নিহত মা ও ছেলের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তাঁরা।প্রবাসে জীবিকার তাগিদে বসবাস করা একটি পরিবারের এমন করুণ পরিণতি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা। একটি দুর্ঘটনা কীভাবে মুহূর্তেই একটি সাজানো সংসারের স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে, তারই হৃদয়বিদারক দৃষ্টান্ত হয়ে রইল এই ঘটনা।
মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলেন শোভা মল্লিক
মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলেন শোভা মল্লিক
স্বামী হারানোর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে প্রাণ দিলেন স্ত্রী
পূজার ছুটি কি ৫ দিন?
৩১ বছর পর আলো দেখছে মুন্সীগঞ্জের একটি পরিবার
বিহারের ঘটনার বিকৃত উপস্থাপনায় বাংলাদেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ |
সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা
বৃদ্ধের ধর্ষণের ফলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী
এখানে রং নয় চিতার ছাই দিয়ে খেলা হয় হলি
অধ্যক্ষ তপন কুমার সাহার পা ধরে ক্ষমা চাইলেন অসদাচরণের অভিযোগ ওঠা শিক্ষার্থী
আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনে বাঙালির উজ্জ্বল মুখ / মাস্টার্সে ফুল স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সুদেষ্ণা
মেধা ও নিষ্ঠার অনন্য স্বীকৃতি / স্ট্যানফোর্ডের বিশ্বসেরা ২% গবেষকের তালিকায় ঢাবির ড. নেপাল চন্দ্র রায়
চাকরির মোহ ত্যাগ করে মন্দির আঙিনায় শিক্ষার আলো / যতদিন প্রাণ আছে দুর্গা মন্দিরেই শিক্ষা দেব’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মাননা পেয়ে রমণী কান্ত
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে 'গুণী শিক্ষক' সম্মাননা পাচ্ছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী অরুণ কুমার বসাক
মীরসরাইয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে গীতার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ
পডকাস্ট
হিন্দুস নিউজের সংবাদ প্রকাশের পর শ্রাবণীর পাশে বিএম হাসপাতাল
ফরিদপুরে সোমা দেবনাথের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা সভা
গীতার আলো ছড়িয়ে HCCC’র ব্যতিক্রমী আয়োজন
শেরপুরের মা ভবানী মন্দিরে পূজা ও পরিদর্শনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব
তিরোভাব উৎসবে মানবিক উদ্যোগ: ১০০ স্বেচ্ছাসেবকের সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প