গত ১১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ওই দিন বাংলাদেশ বাঁসফোর হরিজন কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সামাজিক বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়লে সমাজের নেতৃবৃন্দ তাদের শান্ত করেন এবং বিষয়টি সুরাহা করার জন্য পরবর্তী বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করেন। সে সময় উভয় পক্ষ শান্ত হয়ে নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান।
তবে বাসায় ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুনরায় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বিবাদী পক্ষের হামলায় রাহুল বাঁসফোর ছুরি/কাঘাতের শিকার হন।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাহুলকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতালে ঘুরে শেষে তাকে বর্তমানে পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ভর্তি করা হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাহুলের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক এবং তার বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
এ ঘটনায় হরিজন সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ হরিজন সদস্যরা অবিলম্বে হাম/লাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাহুল বাঁসফোরের পরিবারের পক্ষ থেকে কুমিল্লা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে ২ জনকে গ্রে/প্তার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রে/প্তারে কুমিল্লার পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।